Powered By Blogger

Sunday, August 9, 2020

শেষ লাফ

সব কিছুতে আমার তীরে এসে তরী ডুবে কেন বুঝতে পারি না।সব কিছুই ঠিকঠাক ছিল কিন্তু একটা ছোট লাফ..

ছোট লাফটা দিতে পারি নি।মনে হয়েছিল জীবনে কত বড় বড় লাফ দিয়েছি,এ আর এমন কি।তবে বাস্তবতা কঠিন।এটা তরল বা বায়বীয় হলেও চলতো।সবই যথেষ্ট সহজ হতো।আসলে তা নয়।


সুউচ্চ জায়গাটা পর্যন্ত যাওয়ার সাহস আমার ছিল।কিন্তু লাফ দেয়ার জন্য আর কিছুই অবশিষ্ট ছিল না।কারণ,হৃদয় দূর্বল।

আর একটু অনুপ্রেরণা থাকলে,

একটু সাহায্য পেলে ঘটনা মসৃণ ও স্নিগ্ধ ভাবে ঘটত।ঘটেনি।কী হতো তা অনেকটা  অনুমান করতে পেরেছি।অনেকটা এরকম 

"সব কিছু নিয়ম মেনে চলছে।একটু উত্তজনা অনুভুত হচ্ছে।হঠাৎ সব নিস্ক্রিয়-নির্লিপ্ত হয়ে গেল।অতপর লাফ।মস্তিষ্ক দ্রুত কাজ করছে,সময় ধীরে চলছে,সব যেন স্থির,ওজনহীন অনুভব করছি,পুরানা সব ঘটনা মনে পড়ছে,সব কিছুই হাল্কা,শত শত বন্ধন ছিন্ন করার স্বর্গীয় তৃপ্তি।সব ঝাপসা, ধুসর, কালো অন্ধকার। এবং সমাপ্তি।"

সিনেমার মতো ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক বাজবে না।দর্শক করুণায় আচ্ছন্ন হবে না। 

চাই না।

যদি ছোট লাফ দেয়ার জন্য কেউ প্রেরণা দিত,

যদি শূন্যে ভেসে থাকা অবস্থায় কেউ ছবি তুলে রাখত,(ছোটবেলায় খুব শখ ছিল)

যদি কেউ তখন ভায়োলিনের সুর বাজাতো,

যদি আমাকে আর খুঁজে পাওয়া না যেত..

ব্যাপারটা চমৎকার হতো। 

খুঁজে পেলেও কেউ এসে বলবে না, 'আমার কী হবে!'

-এটাও চমৎকার।

হয়তো পত্রিকায় সে শূন্যে ভাসা ছবিটি দিয়ে শিরোনাম হবে,ফেসবুকে দুই চারজন শোক প্রকাশ করবে।আলোচনা-সমালোচনা হবে।

-এগুলো বিরক্তিকর। 

কিছুদিন পর, 

পৃথিবীর ভাবখানা এমন যেন কিছুই হয়নি।

-এটা স্বাভাবিক।

[সাহায্য আবশ্যক ]

No comments:

Post a Comment

The Media

  ❛❛ Four hostile newspapers are more to be feared than a thousand bayonets. -Napoleon Bonaparte   U ndoubtedly,media is the most influentia...