Powered By Blogger

Monday, August 10, 2020

টাক

 টাকওয়ালারা শুধু টাকাওয়ালা বিসিএস ক্যাডার হয়না।

তারা ডাক্তার,ইঞ্জিনিয়ার,ব্যাংকার,

বিজ্ঞানী,বুদ্ধিজীবী,চাকুরীজীবী

আর্মি,পুলিশ,পাইলট,

অভিনেতা,গায়ক,পরিচালক,

নেতা,মন্ত্রী,রাষ্ট্রপতি,

কবি,সাহিত্যিক,সাংবাদিক,

লেখক,গবেষক,শিক্ষক,

ফুটবলার,ক্রিকেটার,রেসলার

এমনকি হেয়ার স্ট্যালিস্টও হয়।

আবার,চুলওয়ালা বেকার প্রেমিকের মতো টাকওয়ালা বেকার প্রেমিকও আছে।শুধু কিছু চুলের অভাবে বেচারা সেই ব্যার্থতা ঢেকে অন্যের ওপর দায় চাপাতে পারেনা।😪

উপদেশ

 ছোটবেলায় বাবার দেয়া উপদেশগুলো খুব মন দিয়ে শুনতাম।সব আজও মেনে নেয়া যায়।কিন্তু একটা উপদেশ মেনে নেয়া যাচ্ছে না এখন। বাবা বলেছিলেন,"বিদ্ধ্যা আর চরিত্র বিক্রয়যোগ্য নয়,এ দুটি জিনিসের কোন বিনিময় নেই।"

 আমি অনেক ভাবলাম। তারা(বিদ্ধ্যান ও চরিত্রবান) বুঝে এবং না বুঝে ভাল স্কুলে পড়ে।ভাল কলেজেও পড়ে।ডাক্তারি-ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ে,ভার্সিটিতে ভাল সাবজেক্ট পায়।সেখান থেকে ভালো সিজিপিএ নিয়ে সার্টিফিকেটের বস্তা নিয়ে চাকরির বাজারে নামে।ক্রেতা বা বিক্রেতা হয়ে নয়,পণ্য হয়ে।পণ্যের অবস্থা আশানুরুপ না হলেও কোনরকমে জীবন কেটে যায়।দূর্নীতি তাদের অনেকটাই গ্রাস করে তাদের।একসময় তারাই দূর্নীতি লালন করতে শুরু করে।এদিকে পাত্রীর বাজারেও তাদের একচ্ছত্র প্রভাব।বায়োডাটা ভারী খুব। তারা আমাদের সমাজে আদর্শ ছেলে,মেধাবী ছাত্র,ক্যারিয়ার সফল ব্যাক্তিত্ব।

সার্টিফিকেট আর বায়োডাটা দেখে তো মানুষ চেনা যায় না ভাই।

এসব জেনেবুঝে মেনে নিতে পারলে আপনি ম্যাচিউরড।এই তো জীবন। 

অতএব,বিদ্ধ্যা এবং চরিত্র উভয়ই বিক্রয়যোগ্য এবং বিনিময়যোগ্য।

নারী

নারী পুরুষ  বুঝি না।সবাই মানুষ। নারী যতদিন না পর্যন্ত নিজেকে মানুষ হিসেবে দাবি করবে ততদিন নারী তার অধিকার পাবে না।আগে মানুষ। তারপর আসে নারী আর পুরুষ। নারীবাদী বিষয়টা আমার কাছে অযৌক্তিক।নারী যদি নিজেকে মানুষ হতে আলাদা করে দেখে তবে সমাজ থেকে কিছু আশা করা নিষ্ফল আবেদন মাত্র।একজন মানুষের চিন্তা চেতনায় কী থাকে?তার স্বপ্ন,জীবন,যৌবন,ক্যারিয়ার ইতাদি।সেই সাথে সমাজ,রাজনীতি,সমসাময়িক ঘটনা ইত্যাদি। কিন্তু দুঃখের বিষয়, এদেশের সাধারণ অনেক নারী এখনও স্বপ্ন দেখে নিজেকে সুন্দরী হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার,একটা সুখের সংসার গড়ে তোলার। সে নিজেই সংসারের দেয়ালে নিজেকে আবদ্ধ করে ফেলে।ঘর সংসার করতে উচ্চশিক্ষার দরকার হয় না। উচ্চশিক্ষা নিয়ে শুধু ঘর সংসার করা মেয়েটা আর একটা উচ্চশিক্ষিত বেকারের পার্থক্য নেই। বেকারটা(নারী /পুরুষ) চেষ্টা করছে। তাই তাকে দোষ দিব না। কিন্তু যে নারী চেষ্টা করছে না,শুধু স্বামী সন্তান নিয়ে জীবন পার করে দিচ্ছে বা দেয়ার কথা ভাবছে সে দেশের বোঝা। সবচেয়ে বড় বোঝা।দেখুন,সমাজ বদলানোর আগে নিজেকে বদলাতে হবে।নারীকে তখন মানুষ হবে যখন সে নিজের সৌন্দর্যকে প্রাধন্য না দিয়ে নিজের কাজকে প্রাধান্য দিবে,নারী হিসেবে কিছু দাবি না করে মানুষ হিসেবে করবে,নিজের পায়ে দাঁড়াবে, পুরুষ থেকে নিজেকে আলাদা করে ভাববে না।আধুনিককালে নারী নির্যাতন হচ্ছে নারীকে উপভোগের বস্তু বানিয়ে রাখা।না হলে বিশ্বসুন্দরী প্রতিযোগিতা নিয়ে এতো মাতামাতি কেন?রিসেপশনে, বিজ্ঞাপনে,বিমানের হোস্টে,অতিথি অভ্যর্তনায় নারীর সংখ্যা বেশি কেন?নারী বলাটা ঠিক হয়নি, সুন্দরী নারী। শিশুদের ছোট থেকে শিখনো হচ্ছে, নারী পৃথিবীতে  এসেছে সৌন্দর্য প্রদর্শন করতে, পুরুষের ভোগের বস্তু হিসেবে,পুরুষকে সাহায্য করতে;কিন্তু স্বাধীন স্বত্তা হিসেবে নয়।নারী নিয়ে করা সব ব্যবসার উদ্দেশ্য পুরুষ, পুরুষের সন্তুষ্টি।তাই পুরুষ হিসেবে আপনার দায়িত্ব আধুনিক নারী অবমাননার (ব্যবসার) কাস্টমার না হওয়া। আর নারী হিসেবে আপনার দায়িত্ব এ ব্যবসার প্রোডাক্ট না হওয়া।আর সবচেয়ে বড় ব্যপার হল, মানুষ হিসেবে নারী-পুরুষকে আলাদা করে না দেখা। লেখাটা পড়ে হয়তো হাসবেন,হয়তো ভালো হয়েছে বলবেন।কিন্তু আপনি কি পারবেন আধুনিক নারী ব্যবসা থেকে নিজে বের করতে?

The Media

  ❛❛ Four hostile newspapers are more to be feared than a thousand bayonets. -Napoleon Bonaparte   U ndoubtedly,media is the most influentia...